Home » Top 10 » ব্যাংকের সংখ্যা কমানোর পক্ষে ৭২% ব্যাংকার

ব্যাংকের সংখ্যা কমানোর পক্ষে ৭২% ব্যাংকার

বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ ব্যাংক রয়েছে তা কমানোর পক্ষে মতামত দিয়েছেন ৭২ শতাংশ ব্যাংক কর্মকর্তা। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটি গতকাল প্রকাশ করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে এক্সপ্লোরিং মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন ইন দ্য কনটেক্স অব দ্য ব্যাংকিং সেক্টর অব বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মশালায় এই প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের অধ্যাপক এবং পরিচালক মো. মহিউদ্দিন সিদ্দিকের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদল। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী। 
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণার জরিপে অংশ নেয়া ব্যাংকারদের মধ্যে ৭২ শতাংশ ব্যাংকের সংখ্যা কমানোর পক্ষে মত দিলেও ১১ শতাংশ মনে করেন ব্যাংকের বর্তমান সংখ্যা ঠিক আছে। জরিপের এই প্রশ্নে মন্তব্য করতে রাজি হননি ১৭ শতাংশ ব্যাংকার।
প্রতিবেদনের জরিপে ব্যাংক একীভূতকরণের বিষয়েও প্রশ্ন রাখা হয় ব্যাংকারদের কাছে। তাদের দেয়া তথ্যানুযায়ী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংক একীভূতকরণের ক্ষেত্রে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো- সুশাসনের অভাব, বোর্ডের গোপন সুবিধা, রাজনৈতিক দুর্বলতা, মানসিকতার পরিবর্তন, পরিচালকদের দুর্বলতা, নেতৃত্ব এবং কৌশলগত চ্যালেঞ্জ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, বিদেশে ব্যাপকহারে একীভূতকরণ হচ্ছে। সেখানকার প্রতিষ্ঠানগুলো আরো বড় হওয়ার জন্য মার্জার করে থাকে। তবে আমাদের দেশে ছোট ব্যাংকগুলোর ধারণা, বড়দের সঙ্গে মার্জার হলে বড়রা তাদের খেয়ে ফেলবে। এক্ষেত্রে তারা বিডিবিএলকে উদাহরণ হিসেবে দেখেন। কিন্তু, বিডিবিএল-এর ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে সেটা হলো দুটো খারাপ প্রতিষ্ঠান মিলে নতুন একটি খারাপ প্রতিষ্ঠানের জন্ম দিয়েছে। 
বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি এক্সিট পলিসি (বহির্গমন নীতি) থাকা দরকার। কোনো ব্যাংক খারাপ করলে তাকে এ নীতির মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *