ইরানের খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, আমিরাতে থাকা মার্কিন ‘আস্তানা’ গুলো এখন ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’।

শনিবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম এর বরাত দিয়ে আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আইআরজিসি সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু শহরে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন সেনাদের শিপিং পোর্ট (বন্দর), ডক এবং আস্তানাগুলো থেকে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্রের উৎস লক্ষ্য করে হামলা চালানোকে তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষার বৈধ অধিকার বলে মনে করে।’

বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দা এবং জনবহুল কেন্দ্রগুলোকে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে বন্দর, ডক এবং মার্কিন সামরিক এলাকাগুলো থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য-ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলা চালানোর তথ্য জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, খার্গ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। তবে তিনি আরও বলেছেন, সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করা হয়নি।

এই দ্বীপটি থেকেই ইরানের ৯০ শতাংশ তেল রফতানি হয় এবং এটাকে তেহরানের অর্থনীতির লাইফলাইন বলা হয়। বড় বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কার প্রথমে এই দ্বীপ থেকে তেল নিয়ে তারপর সেখান থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যায়। এর অন্যতম হলো চীন। দেশটি ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। 

সূত্র : আল-জাজিরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here