স্থানীয় সময় গত শনিবার সকাল থেকে ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের মাধ্যমে চালানো এই হামলায় প্রথম ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ২০২৬ সালের পুরো মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রায় ০.১ শতাংশের সমান। 

অভিযানে বি-২ স্টিলথ বোম্বার, এফ-৩৫ ফাইটার জেট থেকে শুরু করে পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী এবং টমাহক ক্রুজ মিসাইলের ব্যাপক ব্যবহার এই আকাশচুম্বী ব্যয়ের প্রধান কারণ।

 

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড নিশ্চিত করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের হোয়াইটম্যান বিমানঘাঁটি থেকে চারটি বি-২ স্টিলথ বোম্বার বিরতিহীন উড়ে এসে ইরানে হামলা চালিয়েছে। শুধুমাত্র এই বোম্বারগুলোর উড্ডয়ন ঘণ্টা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবহৃত ২০০০ পাউন্ডের জেডিএএম বোমার খরচ মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০.২ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া এফ-২২, এফ-৩৫ এবং এফ-১৬ এর মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর কয়েক দফা আক্রমণ ও সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে খরচ হয়েছে আরও ২৭১.৩৪ মিলিয়ন ডলার।

অভিযানে বিশেষায়িত বিমান যেমন ইএ-১৮জি গ্রাউলার, এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কারের পাশাপাশি স্থলভিত্তিক হাইমার্স ব্যাটারি ব্যবহারের ফলে মোট আকাশ ও স্থল সম্পদের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪২৩.৫৭ মিলিয়ন ডলারে। সমুদ্রে মোতায়েন থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ও ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বিমানবাহী রণতরী দু’টির দৈনিক পরিচালনা ব্যয় ছিল প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার। 

এর বাইরে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নৌবাহিনী প্রায় ২০০টি টমাহক ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৪০.৪ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে একদিনে যুদ্ধের খরচ দাঁড়িয়েছে ৭৭৯.১৭৪ মিলিয়ন ডলারে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here