ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালী ‘কার্যত বন্ধ’ হয়ে গেছে। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের কৌশলগত তেলভান্ডারের একাংশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান।
বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ হুমকির মুখে পড়ায় জাপান তাদের সংরক্ষিত তেলের মজুদ ছেড়ে দেওয়ার এবং তেলের দাম নির্ধারণ (ক্যাপ) করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
শনিবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপান তাদের অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। ফলে হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌ-রুটগুলোতে অস্থিরতা তৈরি হলে দেশটি বিশেষভাবে ঝুঁকির মুখে পড়ে।
ইতোমধ্যে টোকিও’র দক্ষিণে অবস্থিত মিসাকি নামক একটি ফিসিং সিটিতে জ্বালানির ক্রমবর্ধমান দাম জেলে এবং সামুদ্রিক খাবার ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপক এবং মাছ ধরার ট্রলারের ক্রুরা জানিয়েছেন, জ্বালানির উচ্চমূল্য তাদের খাবারের দাম বাড়াতে বাধ্য করতে পারে, অন্যথায় তাদের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
এদিকে, জাপান সরকার সতর্ক করে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে এই অস্থিরতা চলতে থাকলে তেল আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেতে পারে। সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এবং জ্বালানি-নির্ভর শিল্পগুলোকে রক্ষা করতে শোধনাগারগুলোতে জরুরি মজুদ সরবরাহ করা হতে পারে।
সূত্র : আল-জাজিরা।




