যেকোনো মূল্যে ঈদযাত্রা নিরাপদ, নির্বিঘ্ন, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও স্বস্তিদায়ক করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এজন্য সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বুধবার রাজধানীর সেতু ভবনে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আয়োজিত বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ্যের স্থাপনা ব্যবহার করে চলাচলকারী যাত্রীদের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় সেতুমন্ত্রী বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের নির্মাণসামগ্রী যত্রতত্র ফেলে না রেখে চলাচলে বিঘ্ন এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন। সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা, অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের মাধ্যমে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং যানবাহনে অতিরিক্ত যাত্রী বহন রোধে সংশ্লিষ্টদের তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন।
সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ সেতু বিভাগ ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রাপথে সেতুর উভয় প্রান্তে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) সিস্টেম চালু রাখার নির্দেশনা দেন, যাতে কার্ডধারী যানবাহন দ্রুত সেতু পার হতে পারে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে সার্বক্ষণিক তদারকি ও মনিটরিংয়ের জন্য টোল প্লাজা ও বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখার পরামর্শ দেন।
দ্রুত টোল আদায়ের সুবিধার্থে বুথে পর্যাপ্ত ভাঙতি টাকার ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়। ফিটনেসবিহীন ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহন যাতে সেতু ও সড়কে চলাচল করে যানজট সৃষ্টি না করতে পারে, সেই বিষয়ে মালিক-চালক ও যাত্রীদের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সভায় সিমেন্ট, রড, পাথর ও বালুবাহী ট্রাক ঈদের আগে ও পরে সাতদিন সীমিত এবং ঈদের তিনদিন আগে সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়। তবে খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ, জ্বালানি ও পচনশীল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহনের চলাচলে যেন বিঘ্ন না ঘটে, সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সেতু বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা এবং আওতাধীন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকরা।




