মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জুরিখ থেকে হেলিকপ্টারে করে সুইজারল্যান্ডের ডাভোস শহরে পৌঁছান তিনি। বুধবার বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে (ডব্লিইইএফ) অংশগ্রহণের জন্য সুইজারল্যান্ডে এসেছেন ট্রাম্প।
প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহনকারী মূল বিমানটি মঙ্গলবার রাতে জুরিখ বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর তিনি একটি বিকল্প হেলিকপ্টারে ওঠেন এবং ডাভোসে পৌঁছান মধ্যরাতের পর। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে পৌঁছে বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে ভাষণের শুরুতেই ইউরোপের সমালোচনা করে ট্রাম্প বললেন, ইউরোপ সঠিক পথে এগুচ্ছে না। ইউরোপ তার কাছে অচেনা ঠেকছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, আমি ইউরোপকে ভালবাসি। আমি চাই তারা ভাল করুক। কিন্তু ইউরোপ সঠিক পথে চলছে না।
এদিকে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনড় অবস্থানে টালমাটাল আন্তর্জাতিক রাজনীতি। ডেনমার্কের মালিকানাধীন এই বিশাল ভূখণ্ডটি নিয়ে ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং একের পর এক হুমকির মুখে ন্যাটোর মতো শক্তিশালী সামরিক জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও এখন বড় প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই শঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন করছেন, আদৌ ন্যাটো জোট টিকবে কি?
সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দেওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ট্রাম্প স্পষ্ট করে কিছু না বললেও রহস্য বজায় রেখে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে তিনি কতদূর যাবেন তা শীঘ্রই বিশ্ববাসী জানতে পারবে। ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিশ্ব নিরাপত্তার স্বার্থেই গ্রিনল্যান্ড দখল বা নিয়ন্ত্রণ করা আমেরিকার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড, দ্য হিল
