প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করতে রাজধানী ছাড়ছে নগরবাসী। সকাল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ছিল যাত্রীদের ভীড়। সবগুলো ট্রেনই ছেড়ে গেছে সঠিক সময়ে। 

যাত্রী চাপ থাকলেও কোনো শিডিউল বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেনি। সবগুলো ট্রেনই ছেড়ে গেছে যথাসময়ে। যে কারণে যাত্রীরাও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক অভিভাবক ছেলে-মেয়েদের নিয়ে আগেভাগে বাড়ি ফিরছেন। যে কারণে আজ সকাল থেকেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের যথেষ্ট চাপ ছিল। তবে বেশ কয়েকটি ট্রেনে বগি নম্বর না থাকায় ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন অনেক যাত্রী।

এদিকে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসব শেষে ঘরমুখো মানুষের ফিরতি যাত্রার জন্য ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তৃতীয় দিন আজ। আজ পাওয়া যাচ্ছে আগামী ২৫ মার্চের ট্রেনের আসনের টিকিট।

বরাবরের মতো এবারও আন্তঃনগর ট্রেনের সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হচ্ছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে বিক্রি শুরু হয় এসব টিকিট। এ সময় পাওয়া যাবে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট। অন্যদিকে দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৩ মার্চের টিকিট বিক্রি হয়েছে গত ১৩ মার্চ ও ২৪ মার্চের টিকিট ১৪ মার্চ। এছাড়া ২৬ মার্চের টিকিট ১৬ মার্চ, ২৭ মার্চের টিকিট ১৭ মার্চ, ২৮ মার্চের টিকিট ১৮ মার্চ এবং ২৯ মার্চের টিকিট ১৯ মার্চ বিক্রি করা হবে। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবার কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। কোনো টিকিট রিফান্ড করা হবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here