মধ্যপ্রাচ্যে খারাগ দ্বীপকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কাতারের জর্জেটাউন ইউনিভার্সিটির মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতি বিশেষজ্ঞ জাইদুন আলকিনানি মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি এবং খারাগ দ্বীপে সম্ভাব্য হামলার ঘোষণা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের জন্য মারাত্মক সংকেত।
ট্রাম্পের বক্তব্যে দেখা গেছে, হরমুজ প্রণালির উত্তেজনা বাড়লে খারাগ দ্বীপের তেল স্থাপনাগুলো ধ্বংস করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্র সংরক্ষণ রাখছে। জাইদুন আলকিনানি বলেন, “উভয় পক্ষই তাদের অবস্থানে অনড়। এটি যুদ্ধক্ষেত্রের চেয়ে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি তেলের সরবরাহ ও মূল্য বৃদ্ধির দিকে প্রভাব ফেলবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জাপান থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্সের ২,৫০০ মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। সেনারা সমুদ্রপথে অবস্থান করবে এবং যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি, পরিবর্তিত রণকৌশল, ট্রাম্পের ওপর অভ্যন্তরীণ চাপ এবং সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার ওপর নির্ভর করবে।
আলকিনানি বলেন, মার্কিন সংবিধানের ২ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রেসিডেন্টকে জরুরি পরিস্থিতিতে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেয়, তবে জনগনের আস্থা ও কৌশলগত পরিকল্পনার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করে শাসনব্যবস্থার পতনের পূর্বপরিকল্পনার প্রেক্ষাপটে এই চাপ আরও বেড়ে গেছে।
সোর্স: আলজাজিরা




