‘গণতন্ত্রের দায়—তারুণ্যের প্রথম ভোট, গণতন্ত্রের পক্ষে হউক’—এমন আহ্বান জানিয়েছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। এক ভিভিওবার্তায় এই আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত তার সেই ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘সুপ্রিয় বন্ধুরা আপনাদেরকে স্বাগত জানাচ্ছি মেক্সিকো সিটি থেকে। সঙ্গত কারণেই আমার অবস্থান এখন মেক্সিকোতে। আর কিছু সময় পর, আর কয়েক ঘণ্টা পরে অথবা একদিনও যদি বলি—তাহলে আপনারা এক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছেন। এক মাহেন্দ্রক্ষণ আপনারা প্রত্যক্ষ করবেন সশরীরে। যারা বাংলাদেশের সীমারেখায় অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের ভোটের দিন ভোট দেবেন, পছন্দের প্রার্থীকে যে অধিকারের জন্য, যে ভোটাধিকারটি প্রয়োগ করার জন্য আপনাদেরকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে, অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে, অনেক রক্তের বিনিময়ে আমরা এই অধিকারটি প্রতিষ্ঠা করেছি মাত্র কয়েক সপ্তাহের ভেতরে। ১৪০০ তাজা প্রাণ ঝরে গেছে, অসংখ্য মানুষের রক্তের বিনিময়ে, ত্যাগের বিনিময়ে খুনের ভেতর দিয়ে জেল-জুলুম হুলিয়ার মধ্য দিয়ে আজকের এই দিনটি আমাদের সামনে সমাগত, সেটি হলো—১২ই ফেব্রুয়ারি। এদিন আপনারা আপনাদের প্রতিনিধিকে নির্বাচন করবেন। স্বাভাবিকভাবেই এই দিনটি যখন সামনে আসছে, আমি অনেকটা স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছি। এই দিনটিকে আলিঙ্গন করার জন্যে। এই দিনটি প্রাপ্তির প্রত্যাশায় আপনাদের মতো আমিও সতীর্থ ছিলাম। ঘুরে বেড়িয়েছি, যেখানে যাওয়ার সেখানে গিয়েছি। যে প্ল্যাটফর্মে কথা বললে মনে করেছি আমাদের অধিকারের পথটি প্রশস্ত হবে—সেখানে কথা বলতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এক সময় আমার বাংলাদেশের সবুজ পাসপোর্টটিও হারাতে হয়েছিল। জাতিসংঘের ট্রাভেল ডকুমেন্ট নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছি। কখনো বৃটিশ হাউস অব কমন্সের পোর্টকিউলিস সেন্টারে। কখনো অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির লেডি মার্গারেট হলে, কখনো জাতিসংঘে, কখনো স্টেট ডিপার্টমেন্টে, কখনো হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ক্যানেডি সেন্টারে, কখনো থিংকট্যাঙ্কদের সঙ্গে, কখনো পলিসি মেকারসদের সঙ্গে, কখনো বাংলা ভাষাভাষী প্রবাসীদের মিছিলে, কখনো স্লোগানে, কখনো প্রটেস্টে কখনো, ব্রিফিং রুমে—এভাবে করে দিন চলে গেছে আমাদের। একটা আশা ছিল, একটা বাসনা ছিল, একটা প্রত্যাশা ছিল, বাংলাদেশে নিশ্চয়ই টানেলের শেষে আলো দেখা যাবেই এবং সেই আলোটি দেখা গেছে। কিন্তু যে আলোটির সন্ধান আমরা পেয়েছি, তা অনেক ত্যাগের বিনিময়ে, অনেক রক্তের বিনিময়ে। এখন আমাদের সামনে যে সমাগত দিনটি সেটি হচ্ছে—আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের দিন এবং এই দিনটিকে আলিঙ্গন করার জন্য একটি নাম আমাকে স্মরণ করতে হয়, যিনি নিজেদের নিজের সম্পূর্ণ জীবনকে গণতন্ত্রের জন্যে, মানুষের ভোটাধিকারের জন্যে অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন। এ কারণেই আমি বলছি অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন। তার এই দীর্ঘ জীবন, যে রাজনৈতিক জীবন সেটি ছিল—সংগ্রাম মুখর এবং গণতন্ত্রের প্রশ্নে ভোটাধিকারের প্রশ্নে বিন্দুমাত্র আপস করেননি। যার ফলে তার জীবনের শেষ দিনগুলো কারাগারে নিগৃহণের শিকার হতে হয়েছে, নীরবে নিভৃতে কেটেছে, পরিবার-পরিজনকে নিয়ে, বেগম খালেদা জিয়ার কথা বলছি—আজকে তিনি নেই। তিনি এই ঐতিহাসিক মহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হতে পারলেন না। আমি ব্যক্তিগতভাবে খুবই আবেগতাড়িত, যার ত্যাগের মধ্য দিয়ে, যার নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে, যিনি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বিন্দুমাত্র কখনো আপস করেননি। তার জীবদ্দশায় আমরা এই মাহেন্দ্রক্ষণটি আমরা উপভোগ করতে পারছি না। কিন্তু নিশ্চয়ই তার যে লিগেসি, গণতন্ত্রের প্রতি তার যে শ্রদ্ধা, অর্থনীতির প্রগতির নির্মাতার পথে তার যে উদ্যোগ—সেগুলো আপনারা নিশ্চয়ই মনে রাখবেন। আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে এবং আমরা আর পেছনে ফিরে যেতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ছাত্রদেরকে আর শাহবাগে জড় করতে চাই না। এখন শাহবাগ থেকে আমাদের দৃষ্টি নিবন্ধিত করতে হবে লুক্সেমবার্গে। লুক্সেমবার্গে কথা এখানেই বলছি, কারণ এটি বিশ্বের অর্থনৈতিক একটি প্রাণকেন্দ্র, যেখানে আমাদের ছেলে-মেয়েরা যাবে এবং শাহবাগের খুব কাছেই তাদের পরিবার যেখানে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বাংলাদেশের অফিস অবস্থিত। এই কারণে বলছি আমাদের ছেলে-মেয়েরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়বে। জাতিসংঘে তারা তাদের ন্যায্য হিস্যা আদায় করবে। অনেক বাংলাদেশি ছেলে-মেয়ের জন্য সেই কাজের সুযোগ আছে। জাতিসংঘে ও ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে তারা কাজ করবে। তারা নিজেদের কর্মে নিজেদেরকে নিয়োজিত করবে। আর যাতে শাহবাগ জড়ো হয়ে আন্দোলন না করতে হয়। টিয়াসেলের ঝাঁঝে
তাদের রগ ও চোখ যাতে রঙিন না হয়। লাঠিপেঠায় যাতে তাদের পিঠ রক্তাক্ত না হয়। আমরা যাতে আর কখনো তাদেরকে সেদিকে ধাবিত না করি।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন পরবর্তী যেটি মনে রাখতে হবে, সেটি হলো—দেশ গঠন দেশ গঠনের দিকে আমাদের সকলকে মনোনীত করতে হবে। মনোনিবেশ করতে হবে। আমি কিছু দায় থেকে এই কথাগুলো বলছি। এই দায়াটি হচ্ছে গণতন্ত্রের। এই দায়টি হচ্ছে অর্থনৈতিক প্রগতির। এই দায়াটি হচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের একটি কর্মমুখী কর্মসংস্থানের। আমরা যারা একটা সুবিধাজনক স্থানে আছি, তাদের উচিত হবে যারা সুবিধাবঞ্চিত তাদেরকে পথ করে দেয়া, তাদেরকে রাস্তা করে দেওয়া। তবে সেই দিনটি আপনাদের কাছে সমাগত। আমরা দেখতে চাই যে, এই নির্বাচন পরবর্তী বাংলাদেশ হবে একটি সহনশীল বাংলাদেশ। আমরা অনেক আন্দোলনের ভেতর দিয়ে গিয়েছি, আমরা অনেক রক্তপাতের ভেতর দিয়ে গিয়েছি, আমরা অনেক ধরনের অত্যাচার সহ্য করেছি। কিন্তু এনাফ ইজ এনাফ, একটা জায়গায় স্তিমিত হতে হবে। আমরা একটি সহনশীল বাংলাদেশ দেখতে চাই। যে বাংলাদেশ হবে সকল মতের, সকল পথের, সকল ধর্মের, সকল বর্ণের, একটি উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, আধুনিক বাংলাদেশ। বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে এমন বাংলাদেশ। আমরা একটি ইউনিটি চাই, যে ইউনিটি আমরা দেখেছি, ফ্যাসিবাদবিরোধী যে ঐক্য বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে। সার্বজনীন ঐক্য আমরা দেখেছি। আজকে আমার মনে পড়ছে যখন সৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার পালিয়ে গেলেন, যখন আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলো। ছাত্র আন্দোলনের অগ্রভাগে যারা ছিলেন—নাহিদ, আসিফ, আক্তার ও মাসুদ। তারা সকলে মিলে আগে ও পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে পরামর্শের জন্য হাজির হয়েছিলেন। তারা তার কাছে তাদের গার্জিয়ানশিপ তুলে দিয়েছিলেন। এই যে উদারতা আমরা দেখেছি, সেই উদারতাটুকু আমরা আবারও দেখতে চাই। আমরা এও দেখেছি যে, জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান আন্দোলন পরবর্তী বাংলাদেশে তারেক রহমানকে ক্যারিসমেটিক লিডার এবং আন্দোলনের মহানায়ক হিসেবে অভিহিত করেছেন। সেই সহনশীলতা, সেই উদার্যতা, সেই বিউটি আমরা বাংলাদেশে দেখতে চাই। আমাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকবে, মতপার্থক্য থাকবে। এক প্রার্থীকে আরেক প্রার্থীকে ঘায়েল করার জন্যে যে ধরনের কথাবার্তা থাকবে, সেটিও গণতন্ত্রের এক ধরনের বিউটি। শালীনতার ভেতর দিয়ে যতটুকু করা যায়। কিন্তু যাতে একটা এনিমিটি যাতে তৈরি না হয়। একটা শত্রুতাপূর্ণ অবস্থা যাতে তৈরি না হয় এবং এই শত্রুতার বিষবাষ্প যাতে কেউ ছড়িয়ে দিতে না পারে সেদিকে আমাদের সজাগ রাখতে থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই বাংলাদেশকে দেখতে চাই— একটি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ। একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। মুক্ত মত প্রকাশের একটি দৃষ্টান্তমূলক জায়গা। বাংলাদেশের মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। আমি আশা করছি—১২ ফেব্রুয়ারির যে ভোট, সেটি হবে গণতন্ত্রের পক্ষে। সেটি হবে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে। সেটি হবে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির পক্ষে। অর্থনৈতিক মুক্তির পক্ষে। নিশ্চয়ই সংগত কারণে আমি কোনো প্রতীকের কথা বলছি না। যেমন আরেকটি ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংগত কারণে সেটির পক্ষেও আমি বলতে পারছি না। যেহেতু আমি সরকারি দায়িত্বে আছি । নির্বাচন কমিশন থেকে এ ধরনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আপনারা জানবেন যে, বাংলাদেশ একটি পরিবর্তনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। যে ভোটাধিকারটি প্রয়োগ করলে বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজব্যবস্থা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় একটা চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স তৈরি হবে। একটা যে ভোটাধিকারের হ্যাঁ ও না—যে পন্থাটি বেছে নিলে বাংলাদেশের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে। সার্বিকভাবে গণতন্ত্রের প্রথা এবং প্রতিষ্ঠান মজবুত হবে সে পক্ষেই আপনারা অবস্থান নেবেন। দলীয়ভাবেও আপনারা সেই পক্ষেই থাকবেন। যে পক্ষে নিশ্চয়ই আপনারা আপনাদের মনস্থির করে ফেলেছেন কাকে আপনারা ভোট দেবেন। ভোটটি যাতে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রগতির কথা বলে, সমৃদ্ধির কথা বলে, আর্থসামাজিক উন্নয়নের কথা বলে, সোশ্যাল সেফটিনেসের কথা বলে, হেলথের কথা বলে, এই আমাদের যে চিরায়ত সংস্কৃতি—সেই সংস্কৃতি লালনের কথা বলে। সেই বিষয়গুলো আপনারা নিশ্চয়ই নজরে রাখবেন এবং আপনাদের প্রতিনিধি আপনাদের ভোটেই নির্বাচিত হবে।’
তিনি বলেন আরও বলেন, ‘আমার সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই—সহকর্মী এ কারণে বললাম যারা রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন, যারা নির্বাচন পরিচালনার কাজে আছেন, এমন কোনো কাজ করা ঠিক হবে না—যাতে এই প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন যে সরকার বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, তার উপরে যাতে আপনাদের কোনো কাজে দায় এসে না ঠেকে। আপনাদের নির্ভয়ে নির্বিঘ্নে এবং অত্যন্ত প্রফেশনালি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নিরপেক্ষতা খণ্ডন করতে গিয়ে, কারো প্রতি পক্ষপাতিত্ব করতে গিয়ে, ইলেকশনে কোনো রকম মেকানিজম বা কোনো রকমের দুষ্টুতার আশ্রয় নেয়া—সেটি হবে খুবই অন্যায় এবং বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। সুতরাং বিবেকবর্জিত বা বিবেককে বিসর্জন দিয়ে কোনো কাজ করা যাবে না। সবসময় বিবেক দ্বারা পরিচালিত হবেন। এখন এমন দিন বাংলাদেশে নাই যে, আপনি কোনো একটি দলের প্রতিপক্ষের ব্যালট তুলে দিলেন না অথবা কোনো একটা মেকানিজমে আপনি অংশ নিলেন না বলে আপনাকে শাস্তি পেতে হবে। সেই বাংলাদেশে এখন আর নাই। সুতরাং আপনার বিবেক দ্বারা আপনি তাড়িত হবেন। আপনার ন্যায়ের মানদণ্ডে আপনি অবিচল থাকবেন এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বাংলাদেশে বিনির্মাণের জন্যে আগামীর যে নির্বাচন হবে, যেই সংসদ হবে, সেই সংসদটা যাতে নিষ্কুলুষ হয়। কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, কোনো ধরনের কলঙ্কের ছাপ যাতে না পড়ে সে বিষয়ে আমাদের সহকর্মীদের সজাগ দৃষ্টি থাকবে। তারা তাদের দায়িত্ব সুনিপণভাবে পালন করবেন, কোনো ভীতি সংখ্যা অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন—সেটি আমি বিশ্বাস করতে চাই এবং বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যে একটা উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে, সেই উৎসবের মধ্য দিয়ে নির্বাচনে নিশ্চয়ই একটি দল বিজয়ী হবে, আরেকটি দল পরাজিত হবে। এটি প্রতিযোগিতা, সুতরাং বিজয়ী যারা হবেন তাদের সেই মানসিকতা থাকতে হবে যে, তারা বিজিতকে আলিঙ্গন করবেন, আর যারা বিজয়ী হতে পারবেন না তাদেরও এই মানসিকতা তৈরি করতে হবে যে, নির্বাচনে হার-জিত থাকবে। যারা হেরে গেলেন তাদেরকেও মনে রাখতে হবে যে, আমরা যাতে এই হারা থেকে, এই পরাজয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করি। সুতরাং আমি মনে করি যে, বাস্তবতার কথা আমি আগে বলেছি, সেই বাংলাদেশের সেই পরিস্থিতি আমরা দেখেছি জুলাই পরবর্তী এবং জুলাইয়ের আগেও। আমরা দেখেছি যে, একটা ইউনাইটেড প্ল্যাটফর্ম। সুতরাং আমরা আশা করছি—বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অখণ্ড স্বনির্ভরতা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রগতির জন্যে, সমৃদ্ধির জন্যে, উন্নয়নের জন্যে, আপনারা যথাপযুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। বাংলাদেশ হবে গণতান্ত্রিক, বাংলাদেশে তারুণ্যের প্রথম ভোট গণতন্ত্রের পক্ষে হোক। অশেষ ধন্যবাদ।’




