বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাইয়ে তিনদিনব্যাপী ফাল্গুনের বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে আসা মুসুল্লীদের নামানোর পর একটি লঞ্চ কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে গেছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ।
মিডিয়া সমন্বয়ক জানান, মুন্সিগঞ্জ থেকে রিজার্ভ করা এমভি মানিক-৪ লঞ্চটি ভোর রাতে তিনশত যাত্রী নিয়ে চরমোনাই মাহফিলের ঘাটে ভেড়ানো হয়েছিল। মুসুল্লীদের নামিয়ে দিয়ে ঘাটে অবস্থান করার সময় ভাটার কারণে পানি কমে গেলে লঞ্চের পেছনের অংশ ডুবে যায়। তবে এই সময়ে কোনো যাত্রী বা লঞ্চ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ভেতরে ছিলেন না।
বরিশাল নৌ-ফায়ার স্টেশনের ষ্টেশন অফিসার সনাজ মিয়া জানান, লঞ্চটি আস্তে আস্তে ডুবে গেছে। খবর পেয়ে ডুবুরীরা গিয়ে লঞ্চের অবস্থান শনাক্ত করেছেন। তিনি জানান, লঞ্চটি প্রায় ৫৫ ফুট গভীরে রয়েছে।
নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, লঞ্চটি বর্তমানে মূল চ্যানেলের বাইরে অবস্থান করছে, তাই নৌ-চলাচলে কোনো বিঘ্ন হবে না। তিনি আরও জানান, কোনো হতাহত বা নিখোঁজের ঘটনা ঘটেনি।
লঞ্চের পরিচালক ফজলুল হক জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে ডুবুরি দল এবং মালিকপক্ষের প্রতিনিধি উদ্ধার কার্যক্রমে গেছেন। উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সময় দেয়া হবে, পরে প্রয়োজনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
