চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য ইতোমধ্যে যোগাযোগ করেছে বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি জানিয়েছেন।

ইরানি বার্তাসংস্থা ইসনা নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে ঘারিবাদি বলেন, ‘চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ ইতোমধ্যে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমরা তাদের বলেছি যে আমরাও যুদ্ধবিরতি চাই। তবে এক্ষেত্রে আমাদের প্রথম শর্ত হলো আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা চালাবে না এই নিশ্চয়তা আমাদের দিতে হবে।’

 

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ। তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা। এছাড়া গত ১০ দিনে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে অন্তত ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের সরকার।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের জ্বালানি কাঠামো এবং কয়েকটি জ্বালানি তেলের ডিপো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।

সূত্র : ন্যাশন থাইল্যান্ড

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here