জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তাই তেল সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। আমরা ক্লিয়ার নির্দেশনা দিয়েছি, কৃষিখাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ইউএনওর মাধ্যমে যাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কৃষকরা ডিজেলটা পায়, সেই চেষ্টা করছি।

সোমবার সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তিনি এ কথা বলেন।

 

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব বলেন, রাশিয়া থেকে দুই মাসের জন্য ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির জন্য প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে আমেরিকার কাছেও অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিছু দেশে আমেরিকার স্যাংশন থাকায় অনুমতির এই প্রক্রিয়ায় যেতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা ভারত থেকে ২২ হাজার টন ডিজেল পেয়েছি। তাদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি রয়েছে। এছাড়া, ইন্দোনেশিয়া থেকেও তেল আনা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল আমদানির জন্যও আমরা ইরানের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের জাহাজ হরমুজ দিয়ে আসতে সমস্যা নেই। কিন্তু সব জাহাজ বাংলাদেশের পতাকাবাহী হয় না। এখানেই সমস্যা তৈরি হতে পারে।

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা আপাতত সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য বলছি। এজন্য ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যােগ নিচ্ছি। সরবরাহ চেইনে যাতে কোনো সংকট তৈরি না হয়, সরকার সেই চেষ্টা করছে।

যুগ্মসচিব বলেন, আজকের দিনে ডিজেলের যে মজুত আছে, তা হলো এক লাখ ৩৩ হাজার টন। ৩০ মার্চ ও ৩ এপ্রিল ৫৪ হাজার ৬০০ টন তেল আসবে। মালয়েশিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকে এক লাখ ৫৪ হাজার টন তেল আসবে এপ্রিলেই। আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here