ইরানের সঙ্গে লেনদেন রয়েছে, এমন সন্দেহ থেকে দুটি চীনা ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, যদি লেনদেনের বিষয়টি প্রমাণিত হয় তবে ব্যাংকগুলো নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। তবে এমন পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন।
দেশটির পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার বলা হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি পুরোটাই অবৈধ এবং চীন এমন কোনও নিষেধাজ্ঞা মানবে না, যা জাতিসংঘ থেকে অনুমদিত হয়নি।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গোও জিয়াকুন বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া একতরফা নিষেধাজ্ঞা চীন মেনে নেয় না। দেশটি চীনা ব্যাংকের ওপর ‘সেকেন্ডারি স্যাংশন’ আরোপের হুমকির নিন্দা জানিয়েছে।
বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেনট জানান, যুক্তরাষ্ট্র দুটি চীনা ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে—যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে, আপনার ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ইরানের অর্থ লেনদেন হচ্ছে, তাহলে আমরা সেকেন্ডারি স্যাংশন আরোপ করতে প্রস্তুত।
বেসেন্ট আরও বলেন, আগে চীন ইরানের ৯০ শতাংশেরও বেশি তেল কিনত, যা চীনের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৮ শতাংশ পূরণ করত। হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ‘চীনের তেল কেনা সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে’ বলে ওয়াশিংটনের ধারণা।
গত সপ্তাহে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে কোনও সমঝোতা না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপ করেছে। এদিকে, ইরানের তেল শিল্পের ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র: চায়না ডেইলি
