দ্বিতীয় দিনের মত কাঁটাতারের বেড়ার এ পাশে ভারতীয় ভূ-খণ্ডে অবস্থান করছেন ভারত থেকে ঠেলে দেয়া ১০/১২ জনের দলটি। গতকাল সারাদিন প্রচণ্ড রোদের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিল।
সন্ধ্যার পর অন্ধকার ঘনিয়ে এলে তাদের আর দেখা যায়নি। সকালে মাঠে কাজ করতে আসা কৃষকরা জানান, সকাল থেকে আজকে তাদের দেখা যায়নি। বাংলাদেশ ভূ-খণ্ড থেকে আনুমানিক ৮০০ মিটার দূরে কাঁটাতারের বেড়ার পাশে ৩/৪টি গাছের একটি ছোটো বাগান দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে- তীব্র রোদ থেকে রক্ষা পেতে অল্প একটু দুরে আম গাছের ছায়ায় তারা অবস্থান নিয়েছে।
দলটি সঙ্গে কোন বাচ্চা কিংবা কতজন নারী আছে তা জানা যায়নি। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে যশোর ৪৯ বিজিবি’র কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান নীল পতাকা উড়িয়ে ২০/২২ জন বিজিবির একটি দলে সাথে নিয়ে সীমান্তের শূণ্য রেখা বরাবর গেলেও এসময় বিএসএফ’র পক্ষে কেউ এগিয়ে আসেনি। দলটি মাঠে প্রায় ১০ মিনিট অবস্থান শেষে বাংলাদেশ সীমান্তে ফিরে আসে।
এদিকে, পুশইন রুখে দিতে সীমান্তের একটি বড় অংশে বাংলাদেশ সীমান্তের রঘুনাথপুর ও সাদিপুর গ্রামের লোকজন দলবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে পাহারা দিচ্ছে। রঘুনাথপুর গ্রামের সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যা চায়না বেগমকে দেখা গেল গ্রামের কয়েকজন নারীকে সঙ্গে নিয়ে সকাল থেকে বিজিবি জোয়ানদের সাহস যোগাচ্ছেন। রঘুনাথপুর গ্রামের লোকজন বিজিবি সদস্যদের মাঝে ঠান্ডা পানি ও শুকনো খাবার সরবরাহ করছেন।
যশোর বিজিবির রিজিওন কমান্ডার মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান জানান, ভারতের অবৈধ পুশইন রুখে দিতে সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিজিবিকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি গ্রামের সাধারণ লোকজনকে ধন্যবাদ জানান।
