স্বাস্থ্য খাতে ধাপে ধাপে প্রায় এক লাখ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
এছাড়া দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন ও দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সব কথা জানান।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে মিডওয়াইফ, ফার্মাসিস্ট ও টেকনোলজিস্টসহ বিভিন্ন পদে এক লাখ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই নারীদের নিয়োগ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, জনসংখ্যার তুলনায় দেশে এখনও চিকিৎসকের সংখ্যা কম। তবে প্রতি বছর নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল আরও বলেন, মাত্র সাত দিন আগে নতুন অনেক চিকিৎসক যোগদান করেছেন।
প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতেও চিকিৎসক নিয়োগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হাসপাতালগুলোতে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরও ঘাটতি রয়েছে।
তিনি বলেন, এই ঘাটতি পূরণে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হবে এবং কিছু ক্ষেত্রে আউটসোর্সিং পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশে নার্স ও টেকনিশিয়ানের সংখ্যাও তুলনামূলক কম বলে জানান তিনি।
সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রির অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, সরকারি ওষুধে বিশেষ চিহ্ন দেওয়া হবে, যাতে সেগুলো বাইরে বিক্রি হলে সহজে শনাক্ত করা যায়।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, আশপাশের কোনো ফার্মেসিতে এমন ওষুধ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতালে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ দায়িত্বে অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনীতি সবাই করতে পারে, আমিও করি। কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে রাজনীতি কোনোভাবেই প্রভাব ফেলতে পারবে না।’
