হোসেনপুর পৌরসভার ১ নাম্বার ওয়ার্ডে জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গুরুদয়াল কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর আমিনুল হক(৪৮) ও তার দল বল নিয়ে হোসেনপুরের পত্রিকার এজেন্ট ও পত্রিকা বিতরণকারী ফখরুল ইসলাম(৩৫) ও তার স্ত্রী তানিয়া (৩২) পিটিয়ে আহত করেন । গত ৪ই আগষ্ট শুক্রবার সকাল ১১ টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে।
ঘটনাস্থলে প্রত্যক্ষদর্শীরা হলেন কামাল হোসেন(৪০),বকুল মিয়া(৫৫) ও সাইফুল ইসলাম (৪২)। তারা বলেন , মামলাকৃত জায়গায় আমিনুল হক জোরপূর্বক মাটি কাটার সময় ফখরুল ইসলাম বাধা দিতে গেলে কথা কাটাকাটি শুরু হয় । এক পর্যায়ে প্রফেসর আনিসুল হক রড দিয়ে ফখরুল ইসলামের উপর হামলা চালায় । ফখরুল ইসলাম প্রতিহতের চেষ্টা করলে দুইজনের মধ্যে পাল্টা হাতাহাতি হয় । তখন প্রফেসর আমিনুল হক লোক জড়ো করে ও আবারো হামলা চালায় ফখরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর উপর ।বাড়িঘর ভাঙচুরের চেষ্টাও চালিয়েছে দল বল নিয়ে ।
যার ফলে ফখরুল ইসলামের ভাই এরশাদ , সাধারণ সম্পাদক, ১ নং ওয়ার্ড বিএনপি, হোসেনপুর পৌরসভা, মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পরিবারের লোকজন প্রতিহতের চেষ্টা করলে আরো কয়েকজন আহত হন।
আক্রমণ শেষে যাওয়ার সময় ফখরুল ও তার পরিবারকে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে যায় আমিনুল হক ।
ফখরুল ইসলাম তার স্ত্রী ও ভাই হোসেনপুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে । ফখরুল ইসলামের সাথে কথা বলতে গেলে উনি জানায় ,সম্পর্কে আমিনুল হক তার আপন মামাতো ভাই । দীর্ঘ সময় ধরে প্রফেসর আমিনুল হক ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে আসছে তাদের উপর ,এর আগেও একবার তার বাড়িঘরে আগুন দিয়েছিল প্রফেসর আমিনুল হক , উক্ত ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও রয়েছে ভোক্তভোগীর কাছে। আরো জানা যায় যে সাবেক স্বৈরাচার আওয়ামী নেতাদের সঙ্গে তার ছিলো প্রফেসর আমিনুল হকের সম্পর্ক ছিলো। বিশেষ করে সাবেক আওয়ামী এমপি তৌফিকের ভাই তুহিনের সাথে আতাত ছিলো তার।
এদিকে কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন যে প্রফেসর আমিনুল হক তার কলেজের ছাত্রদের ভুল বুঝিয়ে ফেসবুকে ভোক্তভোগীর পরিবারের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে । ফেসবুক উল্লেখ করছে যে ফখরুল ইসলাম সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর লোক অথচ তিনি কোনো রাজনীতিতে জড়িত নয় বরং তার ভাই বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত রয়েছে।