Home » আইন-আদালত » বিসিএস সহকারী প্রকৌশলী নন ক্যাডার ১৭০ পদে নিয়োগ দিতে রুল জারি

বিসিএস সহকারী প্রকৌশলী নন ক্যাডার ১৭০ পদে নিয়োগ দিতে রুল জারি

৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় (৯ম গ্রেড) উত্তীর্ণ সহকারী প্রকৌশলী (পুর) নন ক্যাডার পদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের অধীনে ১৭০টি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রোববার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

রুলে আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিটে জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সচিব, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে বিবাদী করা হয়েছে।

এদিন আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাঈম সরদার ও ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার।

এর আগে ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (৯ম গ্রেড) সহকারী প্রকৌশলী (পুর) পদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের অধীনে ১৭০টি নন ক্যাডার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গত ১৭ ই ডিসেম্বর মোঃ নয়ন হাসানসহ ৭ জন আবেদনকারী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করেন। আবেদনকারীরা সবাই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিল বিভাগ থেকে পাস করেছেন। তারা ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় এমসিকিউ, লিখিত ও ভাইভায় উত্তীর্ণ হন। জানা গেছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৫৬টি পদ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ৭টি পদ ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধিদপ্তরের অধীনে ৭টি পদে নিয়োগের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অধিযাচন পাঠানো হয়। কিন্তু সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (৯ম গ্রেড) সহকারী প্রকৌশলী (পুর) ১৭০টি নন-ক্যাডার পদে আবেদন আহ্বান না করেই নন-ক্যাডার পদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে গত ৭ই ডিসেম্বর। অথচ নন ক্যাডার পদে আবেদন আহ্বান করার আগেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অধিযাচন পাঠানো হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী শূন্য পদ ও অধিযাচন থাকা সাপেক্ষে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা।

কিন্তু ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (৯ম গ্রেড) সহকারী প্রকৌশলী (পুর) নন ক্যাডার পদের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। এ বিষয়ে রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, আশা করি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীরা অতি দ্রুতই হাইকোর্টের রুলের জবাব দেবে। জবাব দিলে আমরা পরবর্তী আইন প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *