পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে টানা সাত দিনের ছুটি শুরু হয়েছে আজ মঙ্গলবার থেকে। সোমবার ছিল সরকারি অফিস-আদালতের শেষ কর্মদিবস। ফলে ছুুটির প্রথমদিনেই মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ।

এদিকে, রাজধানীর কমলাপুর স্টেশনে ছিল ঘরমুখো মানুষের ভিড়। তবে ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময় ছেড়েছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। 

 

সকাল থেকে উত্তরবঙ্গগামী প্রতিটি ট্রেনেই অতিরিক্ত যাত্রীচাপ দেখা গেছে। উত্তরবঙ্গের ট্রেনগুলো প্ল্যাটফর্মে ভিড়লেই নিজের কাঙ্ক্ষিত আসন পেতে মরিয়া যাত্রীরা। সকালের ট্রেনগুলোতে গাদাগাদি করেই যাত্রা করেছে মানুষ। যেন তীল ধারণের ঠাঁই নেই। ছাদেও চেপে বসেছেন অসংখ্য যাত্রী।

তবে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলো ছিল তুলনামূলম ফাঁকা। তবে প্রতিটি ট্রেনেই স্বস্তির কথা জানিয়েছেন যাত্রীরা। উত্তরবঙ্গের ট্রেন নীলসাগর এক্সপ্রেস ছাড়া মঙ্গলবার প্রতিটি ট্রেনই কমলাপুর স্টেশন থেকে নির্দিষ্ট সময়ে ছেড়ে গেছে। শিডিউল বিপর্যয় না থাকায় রেলপথের যাত্রীরা উচ্ছাস প্রকাশ করেন।

রংপুরের এক যাত্রী বলেন, কমলাপুর স্টেশনে এসেই দেখি হাজার হাজার যাত্রী। সবাই স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার জন্য বাড়ি যাচ্ছে। মানুষ বেশি হলেও আনন্দ লাগছে। আশা করি ট্রেনে উঠতে পারবে।

কমলাপুর স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন বলেন, এবার শতভাগ অনলাইনে টিকিট দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি ১০০টি আসনের বিপরীতে ২৫ জন যাত্রী দাঁড়িয়ে যেতে পারবেন। বিভিন্ন রুটের ট্রেন মাঝপথে কয়েকটি স্টেশনে থামে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের কারণে কখনো কখনো দেরি হতে পারে। তবে আমরা চেষ্টা করছি ট্রেনগুলো সঠিক সময়ে ছাড়তে এবং যাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা দিতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here