ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছেন। ওই বার্তায় তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মুখে তেহরানের সামনে আক্রমণ ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না।

তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক পথ বেছে নিতে চেয়েছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা তেহরানকে পাল্টা পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করেছে। 

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আরবি ও ফার্সি ভাষায় দেওয়া দুইটি পৃথক পোস্টে তিনি আরও বলেন, আমরা আপনাদের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করি। তার ভাষায়, ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে তা অঞ্চলভিত্তিক যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই অর্জন করতে হবে।’

উল্লেখ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে তেহরান। ইরান বলছে, তাদের লক্ষ্য ছিল মূলত মার্কিন স্থাপনা। তবে কাতার ইরানের এমন বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এ প্রসঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বুধবার কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জাসিম আল থানির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।
ওই আলাপচারিতায় আব্বাস আরাগচি বলেন, ইরান কেবল মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। জবাবে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, হামলায় শুধু মার্কিন স্বার্থ নয়, কাতারের অভ্যন্তরে বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কাতারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব হামলা দেশটির সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন এবং তা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে। একই সঙ্গে তারা অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমন এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here