কুমিল্লা-৪ আসনে মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করতে যাচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আপিল বিভাগে এই আবেদন করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে বুধবার (২১ জানুয়ারি) কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এই রিট খারিজের ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। 

 

বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের  হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ, অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

পরে ওই আসনের আরেক প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু বলেন, আদালতের কাছে ঋণ খেলাপির তথ্য গোপন করে প্রতারণা করেছেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। আদালত আজ তার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন। এখন তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। তবে তিনি হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

গত ২০ জানুয়ারি কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট শুনানির জন্য বুধবার দিন নির্ধারণ করেন হাইকোর্ট।
 
তার আগে গত ১৯ জানুয়ারি কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন। ১৭ জানুয়ারি আপিলে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি। ইসির ১৭ জানুয়ারির সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে রিট আবেদনে।

এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেছিলেন এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি আপিলে অভিযোগ করেছিলেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি শেষে ১৭ জানুয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে ইসি। এতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here