রমজানে সেহরির খাবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেহরিতে আপনি কি খাচ্ছেন এর ওপরই অনেকটা নির্ভর করে দিনভর শক্তি, সতেজতা ও কর্মক্ষমতা। তাই সেহরিতে এমন খাবার রাখা উচিত যা ধীরে হজম হয়, দীর্ঘক্ষণ তৃপ্তি দেয় এবং শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করে। 

সেহরিতে জটিল কার্বোহাইড্রেট যেমন ওটস, ডালিয়া বা লাল আটার রুটি শরীরে ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে, ফলে দুপুরের আগেই ক্লান্তি বা অতিরিক্ত ক্ষুধা অনুভূত হয় না।

 

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার সেহরিতে বিশেষভাবে উপকারী। ডিম, দই, দুধ, ডাল বা ছোলা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং পেশী সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। এর সঙ্গে পরিমিত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট-যেমন বাদাম বা বীজ। একইসঙ্গে সেহরিতে ফল রাখতে পারেন। কেননা কলা, আপেল বা খেজুর শরীরকে হালকা রাখে, প্রাকৃতিক শর্করা জোগায় এবং হজমে সহায়ক ফাইবার সরবরাহ করে।

পানিশূন্যতা এড়াতে সেহরিতে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ জরুরি। শুধু পানি নয়, দুধ, লাচ্ছি বা ফলের স্মুদিও শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সহায়ক হতে পারে। তবে অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ ক্যাফেইন শরীর থেকে পানি ক্ষয় বাড়াতে পারে। অন্যদিকে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, খুব ঝাল বা লবণাক্ত খাবার তৃষ্ণা ও অস্বস্তি বাড়াতে পারে, যা রোজার সময় অপ্রয়োজনীয় কষ্টের কারণ হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here