শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকার দেশে গুণগত মানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা ও সমন্বিত কার্যক্রম বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মান আরও বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

সোমবার সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন ও মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহা. সুহাদা ওসমান তার সঙ্গে পৃথক পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে এ কথা বলেন তিনি।

সকাল সাড়ে ১০টায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেনের সঙ্গে বৈঠককালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত দু’দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে অত্যন্ত দৃঢ় সম্পর্ক বিদ্যমান। 

তিনি আরও বলেন, এই সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। তুরস্ক দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং বিদ্যমান ব্যবসার প্রসারে কাজ করতে আগ্রহী।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দুই দেশের সমন্বিত কার্যক্রম এগিয়ে গেলে উচ্চশিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং ভবিষ্যতে এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

এরপর সকাল সাড়ে ১১টায় মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহা. সুহাদা ওসমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকে শিক্ষার উন্নয়নে মালয়েশিয়ার বৈশ্বিক সাফল্যের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার উন্নয়নে মালয়েশিয়া সারা বিশ্বে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। তাদের এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশেও কাজে লাগানোর ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।’

সাক্ষাৎকালে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বৈঠকগুলোতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দুই দেশের দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here