সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জন সক্রিয় ডাকাত সদস্য কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় তারা ২৭টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিয়েছেন। উদ্ধার করা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ।
কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মেজবাউল আলম মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টায় এক প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানান। কোস্টগার্ডের জোনাল অফিসের কনফারেন্স কক্ষে এ প্রেস ব্রিফিং আয়োজন করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গত সোমবার বিকাল ৫টায় বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের চরপুটিয়া খাল সংলগ্ন এলাকায় ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ সক্রিয় ডাকাত সদস্য কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এ সময় তাদের কাছে থাকা তিনটি বিদেশি বন্দুক, একটি এইট শুটার, একটি ফোর শুটার, ৫টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ১৫টি দেশীয় পাইপগান, দুটি চায়না পাইপগান, ৩৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৫৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ কোস্টগার্ডের কাছে জমা দেয়। জব্দ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আত্মসমর্পণকারী ডাকাতদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আত্মসমর্পণকারী ডাকাতরা হলেন- জাহাঙ্গীর শেখ (৪৫), মুজাহিদ গাজী (২৭), বিল্লাল শেখ (৩৫), জাহিদ হাসান (২৮), সুমন ঢালী (৩০), এরশাদ শিকারী (৪২), ওয়াহিদুজ্জামান (৩০), আইউব শেখ (৪২), রাফসান ঢালী (৩০), পারভেজ শেখ (২৭), কামরুল শেখ (২৫), জহুরুল গাজী (৩৮), সিরাজুল তরফদার (৩৮), আমিনুল ইসলাম (৪০), আসাদুল ইসলাম (৪২), বাবুল শেখ (৪৫), শাজাহান শেখ (৪২), হেলাল (৩৮) খুলনা জেলার দাকোপ, কয়রা ও বটিয়াঘাটা থানার বাসিন্দা। আকরাম শেখ (৪৫), নুরুল ইজারদার (৫০), হাসান শেখ (২৭), কামরুল শেখ (২৮), জিয়া শেখ (৩৮), কবির সুলতান (৫৫), কাইয়ুম জমাদ্দার (৪০) ও শরিফুল ইসলাম বয়াতি (২১)।
তারা বাগেরহাট জেলার রামপাল, ফকিরহাট, কচুয়া, মোড়লগঞ্জ, শরণখোলা ও জয়নাল আবেদীন (৩৮) পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার বাসিন্দা।




