ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি আরবে অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এ তথ্য জানিয়েছে। একই সঙ্গে সর্বশেষ হামলার ঘটনায় হুতিদের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জোটটি।
ইয়েমেনের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চলসহ দেশটির উত্তরাঞ্চলের বড় একটি অংশ হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গত জুলাইয়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার পর থেকেই দেশটির বিভিন্ন স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে আসছে গোষ্ঠীটি। এসব হামলার অন্যতম লক্ষ্য লোহিত সাগরে সৌদি আরবের জাহাজ।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি সর্বশেষ পরিস্থিতিকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশ এবং কার্যত ওপেকের নেতৃত্বে থাকা সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে আল-মালিকি বলেন, হুতিদের এই ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’কে নিবৃত্ত করতে জোট প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেবে। তাদের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডও দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করা হবে বলে জানান তিনি।
জোটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হুতিরা সৌদি আরবের আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান ও নাজরান শহরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
এর আগে সোমবার ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানায়, নতুন করে চালানো হামলায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর জাজান তেল স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণের কাজ চলছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে রয়টার্স ওই খবরের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। এ বিষয়ে আরামকোর পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।




